দায়িত্ব পালনে পুলিশ কি ‘উভয় সংকটে’
সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও পুলিশের ব্যাকিকেড সরিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে সমাবেশ করেছিলেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের সমর্থকরা। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যমুনার সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ ও তার সমর্থকরা।
তবে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভিন্ন চেহারা পুলিশের। এর আগে ঢাকায় ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও পুলিশকে কঠোর অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
ভিন্ন প্রেক্ষাপটে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে বারবারই প্রশ্নের মুখে পড়ছে পুলিশ। কিছু ঘটনায় নিরব আবার কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগ এই বাহিনীকে ‘উভয় সংকটে’ ফেলছে কি না- এ নিয়েও চলছে আলোচনা।
রাষ্ট্রীয় এই বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।
প্রশ্ন উঠছে, প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন অভিমুখে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের থামাতে আর কী করতে পারতো পুলিশ?
আর সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও অতীতে যে কর্মসূচিগুলো ওই এলাকায় হয়েছে, সেগুলো নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল- এ প্রসঙ্গও সামনে আনছেন কেউ কেউ।
এছাড়া সম্প্রতি পুলিশের সামনেই ছিনতাই ও মব তৈরি করে হামলার ঘটনায়ও অনেক ক্ষেত্রেই পুলিশের নিরব ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ব্যবস্থা নিলে অনেক সময় পক্ষপাত বা অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ ওঠে, আবার ব্যবস্থা না নিলে আনা হয় গাফিলতির অভিযোগ। ফলে পুলিশি পদক্ষেপ যেভাবেই হোক, সমালোচনা এড়ানো প্রায়ই অসম্ভব হয়ে পড়ে।
যদিও পুলিশের জন্য এটা নতুন কিছু নয় বলেই মনে করেন সাবেক আইজিপি নুরুল হুদা। তিনি বলছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুলিশের ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
“যখন স্পেসিফিক পলিটিক্যাল গভর্নমেন্ট থাকে না, তখন একটু ঝামেলা বা সমস্যা হয়,” বলেন মি হুদা।
সম্পর্কিত সংবাদ
আপত্তি সত্ত্বেও বিল পাস, ওয়াকআউট করল বিরোধী দল
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ বিল পাসের পর সংশোধন বিল নিয়ে আপত্তি করার কারণে এবং বাকিবিস্তারিত…
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবারবিস্তারিত…
