নেইমার জানালেন- ‘এবার শেষ মিশন’
দুই বছর সৌদি আরবে ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করে এ বছরের শুরুতে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরেছিলেন নেইমার। ফিরে এসে ভেবেছিলেন নতুন করে শুরু করবেন। ভক্তদেরও আশা ছিল, আগামী বিশ্বকাপ সামনে রেখে ব্রাজিলের স্বপ্নসারথি আবার সেরা ফর্মে ফিরবেন। কিন্তু ফিরেই নেইমার আবারও একের পর এক চোটে জর্জরিত হন।
সান্তোসে ফেরার পর মাত্র কয়েক মাসে চারবার ইনজুরিতে পড়েছেন তিনি। শৃঙ্খলাজনিত কিছু সমস্যাও ছিল। সব মিলিয়ে লিগের ৩৮ ম্যাচের ১৮টিতে খেলতে পারেননি। তবুও শেষ পর্যন্ত তিনি পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দেন, দলকে অবনমন থেকে বাঁচান এবং সমালোচকদের করতালিতে পরিণত করেন।
দুই মাস বাইরে থাকার পর নেইমার গত ৯ নভেম্বর ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে একাদশে ফেরেন। তবে ফিরতি ম্যাচে প্রত্যাশামতো খেলতে পারেননি, মাত্র দুটি অন-টার্গেট শট, আর শেষ পাঁচ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। এরপরই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। সেই সমালোচনা তার মানসিক স্বাস্থ্যে বড় আঘাত করে, এমনকি জীবনে প্রথমবার মানসিক সহায়তা নিতে বাধ্য হন তিনি।
ক্রুজেইরোর বিপক্ষে মৌসুমের শেষ ম্যাচের পর নেইমার বলেন,“গত কয়েক সপ্তাহ খুব কঠিন ছিল। ফ্লামেঙ্গোর ম্যাচের পর সমালোচনা সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। জীবনে প্রথমবার আমাকে সাহায্য চাইতে হয়েছে। আমার মানসিক অবস্থা ভেঙে পড়েছিল। কোচ, সতীর্থ আর পরিবার আমাকে ধরে রেখেছে।”
মানসিক লড়াই জয়ের পর মাঠেও ঘুরে দাঁড়ান নেইমার। পুরোপুরি সুস্থ না হয়েও শেষ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলেন। তিন ম্যাচে চার গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলকে অবনমন থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি কোপা সুদামেরিকানার টিকিটও এনে দেন।
জিইটিভিকে তিনি বলেন, “বছরটা শেষ করছি। দশ দিন ফুটবল ভুলে থাকতে চাই। এরপর যে সার্জারিটা দরকার তা করাব। অপারেশনের পর পুরো মনোযোগ থাকবে শেষ মিশনে: বিশ্বকাপ ঘিরে।”
সম্পর্কিত সংবাদ
সেমিফাইনালের আগে যা বলছেন চার দলের তারকারা
শেষ হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের এবারের আসরের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব। ফুটবল বিশ্বের শীর্ষ চার পরাশক্তি এবংবিস্তারিত…
সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা
কানসাস সিটিতে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের ঢল। লিওনেল মেসিদের ওপর তাদের এতটাই বিশ্বাস ছিল যে, সুইজারল্যান্ড সমতাবিস্তারিত…
