লাইফস্টাইল

জিম ছাড়াই যেভাবে পেটের চর্বি কমাবেন

অনিয়মিত জীবনযাপন, পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় বসে থেকে কাজ— এই তিনটি বিষয় মানুষকে নানা রোগের শিকার করে তুলছে। চেহারাতেও তার ছাপ পড়ছে। কম বয়সেই ভারী তলপেট ও ভুঁড়ির সমস্যায় ভুগছেন বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু সহজ কিছু ব্যায়াম অভ্যাস করলেই কমবে ভুঁড়ি, শরীর থাকবে স্লিম। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

চেয়ারে বসুন। দুই পা ফাঁক করুন যতটা পারেন। এ বার হাত দু’টি দু’দিকে সোজা করে মেলে দিন। ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের পাতা ও বাঁ হাত দিয়ে ডান হাতের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। দিনে দিনে এর সংখ্যা বাড়ান। এতে পেটে চাপ পড়বে। দিন কয়েকেই বুঝবেন পেটের অতিরিক্ত চর্বি গলে যাচ্ছে।

একটি শক্ত চেয়ারে বসুন। কাঠের চেয়ার হওয়াই ভাল। এর পর চেয়ারের উপর দুই হাতের তালু রেখে তাতে ভর দিন। পুরো শরীরটাকেই দুই হাতের তালুর ভরে উপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। যতটা পারছেন, ততটাই। প্রথমেই জোর করে অনেকটা তুলবেন না। এতে পেশীতে টান লাগতে পারে। বার কয়েক এমন করলে কোমর ও তলপেটের চর্বি ঝরবে সহজে।

একটি শক্ত কাঠের চেয়ারে বসে চেয়ারের হেলান দেওয়ার জায়গাটি দু’হাতে ভর দিন। এর পর চেয়ারে বসেই দুই পা হাঁটু পর্যন্ত ভাঁজ করে যতটা পারেন বুকের কাছে আনুন আর সামনের দিকে শূন্যে ভাসিয়ে দিন। এমন করে পাঁচ বার করুন। ধীরে ধীরে পরিমান ও সময় বাড়ান। এতে পেট ও কোমরের পেশী টান পড়ে ও মেদ ঝরে সহজে।

চেয়ারে বসে দু’হাত ভাঁজ করে মাথার পিছনে দিন। এ বার এক এক করে হাঁটু ভাঁজ করা অবস্থায় মাটি থেকে পা তুলুন। ডান হাতের কনুই দিয়ে বাঁ হাঁটু ও বাঁ হাতের কনুই দিয়ে ডান হাঁটু ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। বার পনেরো করুন। এতে আপনার কোমরের মেদ তো ঝরাবেই, সঙ্গে শরীরের একাংশ কিছুটা ভাঁজ হওয়ার দরুন পেটের অতিরিক্ত চর্বিও গলবে সহজে।

একটা চেয়ারের কোণা এক হাতে ধরে দাঁড়ান। এর পর একটি পা ভাঁজ করে পিছন দিক দিয়ে কোমরের কাছ অবধি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। গোড়ালির কাছটা ধরে থাকুন অন্য হাত দিয়ে। জঙ্ঘা ও পেটের জন্য এই ব্যায়াম খুব উপকারী। অনেকের পা ভারী হয়। তাদের জন্যও এই ব্যায়াম কার্যকর। প্রতি পায়ে দশ বার করে করুন এই ব্যায়াম। সূত্র: আনন্দবাজার।

About the author

szaman

Add Comment

Click here to post a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

August 2018
S M T W T F S
     
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031