লাইফস্টাইল

যা খেতে নেই ডায়াবেটিস রোগীর

বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস রোগের নাম শোনেনি এমন মানুষ মেলা ভার। সারা বিশ্বেই এই রোগ ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। এটি এমন এক রোগ যা প্রতিনিয়ত মানুষের অসুস্থতাকে বাড়িয়ে তোলে। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হলে খাদ্য তালিকায় বিরাট পরিবর্তন আনতে হয়। বিশেষ করে চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার তো একেবারেই নিষিদ্ধ।

ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে রোগীকে এই কষ্টটা সইতে হয় আজীবন। শুধু কি মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চললেই হয়? বলা চলে মুখরোচক প্রায় সব খাবারই ত্যাগ করতে হয় রোগীকে। চলুন জেনে আসা যাক মিষ্টি ছাড়া আর কোন কোন খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

ফাস্টফুড

সময় বাঁচাতে অনেকেই বেছে নেন ফাস্ট ফুড। বার্গার, চাউমিন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা এগ রোল এর মতন ফ্যাটি খাবার গুলোর প্রতি অনেকের আগ্রহ চরম। মুখরোচক এইসব খাবার দ্রুত খাওয়া গেলেও স্বাস্থ্যের জন্য এই খাবার ভয়াবহ ফল নিয়ে আসতে পারে এমনটাই মত পুষ্টিবিদদের। তাদের মতে ফাস্টফুড খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায় দ্রুত, যা একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অবশ্যই ক্ষতিকর। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই খাবার এড়িয়ে চলাই উত্তম।

রিফাইন্ড তেল

বলা হয়ে থাকে রিফাইন্ড তেল স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। আদতে তা কিন্তু নয়। গবেষণা বলছে, এই তেলে ভাজা খাবার বিশেষ করে স্ন্যাকস বা চিপস জাতীয় খাবার খেলে রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা বেড়ে যায়। যার ফলে একজন সুস্থ মানুষও ডায়াবেটিস এর ঝুকিতে পড়ে যান।

কোমল পানীয়

রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়া ডায়াবেটিস রোগীর জন্য ক্ষতির কারণ। আর নিজের অজান্তেই ক্ষতি ডেকে আনতে অনেকেই দেদারছে পাণ করে থাকেন বিভিন্ন ধরনেরর কোমল পানীয়। এইসব কোমল পানীয়ের মধ্যে ফ্রুট জুসে শর্করার পরিমাণ বেশি। এই জুসে রয়েছে ফ্রুকটজ যা রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।

আইসক্রিম জাতীয় খাবার

আইসক্রিম অনেকের কাছেই প্রিয় একটি খাবারের নাম। পেস্ট্রি, আইসক্রিম বা কাপকেকের নাম শুনলেই অনেকের জিভে জল আসে। এইসব খাবার আপনার রসনাকে তৃপ্তি দিলেও রক্তে কিন্তু বাড়িয়ে দিচ্ছে ইনসুলিনের মাত্রা। তাই যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের উচিত আইসক্রিম জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা।

অতিরিক্ত মশলাদার খাবার

রসনায় এই উপমহাদেশের মানুষের জুড়ি নেই। বিশেষ করে বেশি তেল এবং বেশি মশলাদার খাবার এখানকার মানুষদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় থাকবেই। কিন্তু যাদের শরীরে ডায়াবেটিস আছে তাদের এসব খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। এসব খাবারে থাকা ট্রান্স ফ্যাট ইনসুলিনের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। ফলে বেড়ে যায় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা।

About the author

szaman

Add Comment

Click here to post a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

June 2019
S M T W T F S
« May    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30