SL News মুক্তকলাম

ভালোবাসার মূল্য দিতেই নির্বাচন করছে হিরো আলম

image-116621-1543463070

দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত অভিনেতা হিরো আলম। গতকাল বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে তিনি বগুড়া-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় জানিয়েছেন, জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও শারমিন আখতারের কাছে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেন হিরো আলম।

তিনি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু জাতীয় পার্টি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। পরে সিদ্ধান্ত নেন নির্বাচন করবেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে। সিদ্ধান্ত মোতাবেন তিনি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

হিরো আলমের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এটিই প্রথম নয়। এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেন এ মডেল।

জাতীয় নির্বাচনে কেন অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, জনগণের ভালোবাসায় আজ আমি হিরো আলম। সেই ভালোবাসার মূল্য দিতেই আমি নির্বাচন করছি।

নিজের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা স্বীকার করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, আমি আর্থিকভাবে মোটেও আর ১০ জনের মতো সক্ষম নই। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা অর্জনে আমি সবার থেকে এগিয়ে। নির্বাচনে এটিই আমার বড় শক্তি।

ব্যক্তিগুণেই জনগণ ভোট দেবে এমন আশা ব্যক্ত করে হিরো আলম বলেন, নির্বাচনে অনেকের কাছেই টাকা ফ্যাক্ট (বড় বিষয়) আর আমার কাছে ব্যক্তি ফ্যাক্ট। আমার ব্যক্তি ইমেজের কারণেই জনগণ আমাকে ভোট দেবে।

ভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হিরো আলম জানান, তার পক্ষে সবার ইতিবাচক সাড়া আছে। সমাজের সব মহল থেকে তাকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। সবাই সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা করছে। জনগণ আশা করছেন আমাকে দিয়ে সবার চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণতা ঘটবে।

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে এখনও আশাবাদী হিরো আলম। তিনি বলেন, বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে বহু আশা নিয়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের দল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলাম। প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত দলটির সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো আছে। তাই আশা করছি জাতীয় পার্টি আমাকে বঞ্চিত করবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনী নানা কৌশলের কারণে হয়তো আমাকে এখনও গ্রিন সিগন্যাল দেয়া হয়নি দল থেকে। বারবার সিদ্ধান্তও বদলাচ্ছে। সে হিসাবে আমার মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়ে কিছুটা ঝুঁকি থেকে যায়। আমি সেই ঝুঁকিতে যেতে চাই না। জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। তাই স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।

জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করা তার লক্ষ্য। হিরো আলম বলেন, আমি যেন আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি, সে আশা নিয়েই এখন আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণকে বড় করে দেখছি। জনগণের সেবায় নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখাতে নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়াটা আমার কাছে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

হিরো আলম যে দল থেকে নির্বাচন করতে চান, সেই দল মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচন করবে। আসন বণ্টন নিয়ে মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের সঙ্গে দরকষাকষি চলছে জাতীয় পার্টির।

জাতীয় পার্টি যেসব আসন নিয়ে দরকষাকষি করছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই নাম নেই হিরো আলমের। এমন তথ্য জানার পরই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করার কথা জানালেন হিরো আলম।

ইউটিউবে বিচিত্র অভিনয়, গান আর নাচ দেখিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন হিরো আলম। তার প্রকৃত নাম আশরাফুল আলম। তার বাড়ি বগুড়ায়। তিনি বগুড়া-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

হিরো আলম নির্বাচন করতে চান, এ খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

তবে এসব আলোচনা-সমালোচনা মাথায় নিচ্ছেন না হিরো আলম। তিনি বলেন, লোকজন কথা শুরু করলে, কথা বলতেই থাকবে, থামবে না। তাদের সব কথা মাথায় নিলে তো আমি কাজ করতে পারব না। তাই আমি ওসব কথা পাত্তা দিই না।

হিরো আলম বলেন, দেশের মানুষ আমাকে জিরো থেকে হিরো বানিয়েছে। আজ মানুষের ভালোবাসার কারণেই আমি এ অবস্থানে এসেছি। আমি যদি এমপি হই, তা হলে মানুষের সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে কাজ করে যাব।

জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই নির্বাচন করছি: হিরো আলম

দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত অভিনেতা হিরো আলম। গতকাল বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে তিনি বগুড়া-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় জানিয়েছেন, জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও শারমিন আখতারের কাছে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেন হিরো আলম।

তিনি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু জাতীয় পার্টি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। পরে সিদ্ধান্ত নেন নির্বাচন করবেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে। সিদ্ধান্ত মোতাবেন তিনি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

হিরো আলমের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এটিই প্রথম নয়। এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেন এ মডেল।

জাতীয় নির্বাচনে কেন অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, জনগণের ভালোবাসায় আজ আমি হিরো আলম। সেই ভালোবাসার মূল্য দিতেই আমি নির্বাচন করছি।

নিজের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা স্বীকার করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, আমি আর্থিকভাবে মোটেও আর ১০ জনের মতো সক্ষম নই। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা অর্জনে আমি সবার থেকে এগিয়ে। নির্বাচনে এটিই আমার বড় শক্তি।

ব্যক্তিগুণেই জনগণ ভোট দেবে এমন আশা ব্যক্ত করে হিরো আলম বলেন, নির্বাচনে অনেকের কাছেই টাকা ফ্যাক্ট (বড় বিষয়) আর আমার কাছে ব্যক্তি ফ্যাক্ট। আমার ব্যক্তি ইমেজের কারণেই জনগণ আমাকে ভোট দেবে।

ভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হিরো আলম জানান, তার পক্ষে সবার ইতিবাচক সাড়া আছে। সমাজের সব মহল থেকে তাকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। সবাই সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা করছে। জনগণ আশা করছেন আমাকে দিয়ে সবার চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণতা ঘটবে।

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে এখনও আশাবাদী হিরো আলম। তিনি বলেন, বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে বহু আশা নিয়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের দল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলাম। প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত দলটির সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো আছে। তাই আশা করছি জাতীয় পার্টি আমাকে বঞ্চিত করবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনী নানা কৌশলের কারণে হয়তো আমাকে এখনও গ্রিন সিগন্যাল দেয়া হয়নি দল থেকে। বারবার সিদ্ধান্তও বদলাচ্ছে। সে হিসাবে আমার মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়ে কিছুটা ঝুঁকি থেকে যায়। আমি সেই ঝুঁকিতে যেতে চাই না। জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। তাই স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।

জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করা তার লক্ষ্য। হিরো আলম বলেন, আমি যেন আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি, সে আশা নিয়েই এখন আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণকে বড় করে দেখছি। জনগণের সেবায় নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখাতে নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়াটা আমার কাছে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

হিরো আলম যে দল থেকে নির্বাচন করতে চান, সেই দল মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচন করবে। আসন বণ্টন নিয়ে মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের সঙ্গে দরকষাকষি চলছে জাতীয় পার্টির।

জাতীয় পার্টি যেসব আসন নিয়ে দরকষাকষি করছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই নাম নেই হিরো আলমের। এমন তথ্য জানার পরই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করার কথা জানালেন হিরো আলম।

ইউটিউবে বিচিত্র অভিনয়, গান আর নাচ দেখিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন হিরো আলম। তার প্রকৃত নাম আশরাফুল আলম। তার বাড়ি বগুড়ায়। তিনি বগুড়া-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

হিরো আলম নির্বাচন করতে চান, এ খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

তবে এসব আলোচনা-সমালোচনা মাথায় নিচ্ছেন না হিরো আলম। তিনি বলেন, লোকজন কথা শুরু করলে, কথা বলতেই থাকবে, থামবে না। তাদের সব কথা মাথায় নিলে তো আমি কাজ করতে পারব না। তাই আমি ওসব কথা পাত্তা দিই না।

হিরো আলম বলেন, দেশের মানুষ আমাকে জিরো থেকে হিরো বানিয়েছে। আজ মানুষের ভালোবাসার কারণেই আমি এ অবস্থানে এসেছি। আমি যদি এমপি হই, তা হলে মানুষের সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে কাজ করে যাব।

জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই নির্বাচন করছি: হিরো আলম

দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত অভিনেতা হিরো আলম। গতকাল বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে তিনি বগুড়া-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় জানিয়েছেন, জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও শারমিন আখতারের কাছে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেন হিরো আলম।

তিনি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু জাতীয় পার্টি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। পরে সিদ্ধান্ত নেন নির্বাচন করবেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে। সিদ্ধান্ত মোতাবেন তিনি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

হিরো আলমের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এটিই প্রথম নয়। এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেন এ মডেল।

জাতীয় নির্বাচনে কেন অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, জনগণের ভালোবাসায় আজ আমি হিরো আলম। সেই ভালোবাসার মূল্য দিতেই আমি নির্বাচন করছি।

নিজের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা স্বীকার করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, আমি আর্থিকভাবে মোটেও আর ১০ জনের মতো সক্ষম নই। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা অর্জনে আমি সবার থেকে এগিয়ে। নির্বাচনে এটিই আমার বড় শক্তি।

ব্যক্তিগুণেই জনগণ ভোট দেবে এমন আশা ব্যক্ত করে হিরো আলম বলেন, নির্বাচনে অনেকের কাছেই টাকা ফ্যাক্ট (বড় বিষয়) আর আমার কাছে ব্যক্তি ফ্যাক্ট। আমার ব্যক্তি ইমেজের কারণেই জনগণ আমাকে ভোট দেবে।

ভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হিরো আলম জানান, তার পক্ষে সবার ইতিবাচক সাড়া আছে। সমাজের সব মহল থেকে তাকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। সবাই সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা করছে। জনগণ আশা করছেন আমাকে দিয়ে সবার চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণতা ঘটবে।

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে এখনও আশাবাদী হিরো আলম। তিনি বলেন, বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে বহু আশা নিয়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের দল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলাম। প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত দলটির সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো আছে। তাই আশা করছি জাতীয় পার্টি আমাকে বঞ্চিত করবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনী নানা কৌশলের কারণে হয়তো আমাকে এখনও গ্রিন সিগন্যাল দেয়া হয়নি দল থেকে। বারবার সিদ্ধান্তও বদলাচ্ছে। সে হিসাবে আমার মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়ে কিছুটা ঝুঁকি থেকে যায়। আমি সেই ঝুঁকিতে যেতে চাই না। জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। তাই স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।

জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করা তার লক্ষ্য। হিরো আলম বলেন, আমি যেন আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি, সে আশা নিয়েই এখন আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণকে বড় করে দেখছি। জনগণের সেবায় নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখাতে নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়াটা আমার কাছে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

হিরো আলম যে দল থেকে নির্বাচন করতে চান, সেই দল মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচন করবে। আসন বণ্টন নিয়ে মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের সঙ্গে দরকষাকষি চলছে জাতীয় পার্টির।

জাতীয় পার্টি যেসব আসন নিয়ে দরকষাকষি করছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই নাম নেই হিরো আলমের। এমন তথ্য জানার পরই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করার কথা জানালেন হিরো আলম।

ইউটিউবে বিচিত্র অভিনয়, গান আর নাচ দেখিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন হিরো আলম। তার প্রকৃত নাম আশরাফুল আলম। তার বাড়ি বগুড়ায়। তিনি বগুড়া-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

হিরো আলম নির্বাচন করতে চান, এ খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

তবে এসব আলোচনা-সমালোচনা মাথায় নিচ্ছেন না হিরো আলম। তিনি বলেন, লোকজন কথা শুরু করলে, কথা বলতেই থাকবে, থামবে না। তাদের সব কথা মাথায় নিলে তো আমি কাজ করতে পারব না। তাই আমি ওসব কথা পাত্তা দিই না।

হিরো আলম বলেন, দেশের মানুষ আমাকে জিরো থেকে হিরো বানিয়েছে। আজ মানুষের ভালোবাসার কারণেই আমি এ অবস্থানে এসেছি। আমি যদি এমপি হই, তা হলে মানুষের সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে কাজ করে যাব।

জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই নির্বাচন করছি: হিরো আলম

দল থেকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত অভিনেতা হিরো আলম। গতকাল বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে তিনি বগুড়া-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় জানিয়েছেন, জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা পরিষদের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইউএনও শারমিন আখতারের কাছে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেন হিরো আলম।

তিনি জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু জাতীয় পার্টি তাকে মনোনয়ন দেয়নি। পরে সিদ্ধান্ত নেন নির্বাচন করবেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে। সিদ্ধান্ত মোতাবেন তিনি বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

হিরো আলমের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা এটিই প্রথম নয়। এর আগে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেন এ মডেল।

জাতীয় নির্বাচনে কেন অংশ নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, জনগণের ভালোবাসায় আজ আমি হিরো আলম। সেই ভালোবাসার মূল্য দিতেই আমি নির্বাচন করছি।

নিজের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা স্বীকার করেন হিরো আলম। তিনি বলেন, আমি আর্থিকভাবে মোটেও আর ১০ জনের মতো সক্ষম নই। কিন্তু মানুষের ভালোবাসা অর্জনে আমি সবার থেকে এগিয়ে। নির্বাচনে এটিই আমার বড় শক্তি।

ব্যক্তিগুণেই জনগণ ভোট দেবে এমন আশা ব্যক্ত করে হিরো আলম বলেন, নির্বাচনে অনেকের কাছেই টাকা ফ্যাক্ট (বড় বিষয়) আর আমার কাছে ব্যক্তি ফ্যাক্ট। আমার ব্যক্তি ইমেজের কারণেই জনগণ আমাকে ভোট দেবে।

ভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হিরো আলম জানান, তার পক্ষে সবার ইতিবাচক সাড়া আছে। সমাজের সব মহল থেকে তাকে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে। সবাই সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা করছে। জনগণ আশা করছেন আমাকে দিয়ে সবার চাওয়া-পাওয়ার পূর্ণতা ঘটবে।

জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে এখনও আশাবাদী হিরো আলম। তিনি বলেন, বগুড়া-৪ আসন থেকে নির্বাচন করতে বহু আশা নিয়ে পল্লীবন্ধু এরশাদের দল থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলাম। প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত দলটির সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো আছে। তাই আশা করছি জাতীয় পার্টি আমাকে বঞ্চিত করবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনী নানা কৌশলের কারণে হয়তো আমাকে এখনও গ্রিন সিগন্যাল দেয়া হয়নি দল থেকে। বারবার সিদ্ধান্তও বদলাচ্ছে। সে হিসাবে আমার মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়ে কিছুটা ঝুঁকি থেকে যায়। আমি সেই ঝুঁকিতে যেতে চাই না। জনগণের ভালোবাসার মূল্য দিতে নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। তাই স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি।

জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করা তার লক্ষ্য। হিরো আলম বলেন, আমি যেন আমার দায়িত্ব পালন করতে পারি, সে আশা নিয়েই এখন আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণকে বড় করে দেখছি। জনগণের সেবায় নিজেকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখাতে নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়াটা আমার কাছে এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

হিরো আলম যে দল থেকে নির্বাচন করতে চান, সেই দল মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচন করবে। আসন বণ্টন নিয়ে মহাজোটের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের সঙ্গে দরকষাকষি চলছে জাতীয় পার্টির।

জাতীয় পার্টি যেসব আসন নিয়ে দরকষাকষি করছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই নাম নেই হিরো আলমের। এমন তথ্য জানার পরই স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করার কথা জানালেন হিরো আলম।

ইউটিউবে বিচিত্র অভিনয়, গান আর নাচ দেখিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসেন হিরো আলম। তার প্রকৃত নাম আশরাফুল আলম। তার বাড়ি বগুড়ায়। তিনি বগুড়া-৪ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

হিরো আলম নির্বাচন করতে চান, এ খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

তবে এসব আলোচনা-সমালোচনা মাথায় নিচ্ছেন না হিরো আলম। তিনি বলেন, লোকজন কথা শুরু করলে, কথা বলতেই থাকবে, থামবে না। তাদের সব কথা মাথায় নিলে তো আমি কাজ করতে পারব না। তাই আমি ওসব কথা পাত্তা দিই না।

হিরো আলম বলেন, দেশের মানুষ আমাকে জিরো থেকে হিরো বানিয়েছে। আজ মানুষের ভালোবাসার কারণেই আমি এ অবস্থানে এসেছি। আমি যদি এমপি হই, তা হলে মানুষের সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে কাজ করে যাব।

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

November 2019
F S S M T W T
« Oct    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930